রায়গঞ্জে বাড়িতেই রহস্যজনক ভাবে খুন পুলিশ অফিসারের মা ! কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

পুলিশ কর্মীর মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার। চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে। কী কারণে খুন? তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ তবে মৃতার নাতিকে আটক করেছে পুলিশ।
Bengal Live রায়গঞ্জঃ পুলিশ কর্মীর বৃদ্ধা মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো রায়গঞ্জে। সোমবার রাতে রায়গঞ্জের বীরঘই গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়নগর গ্রামের ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতার নাম বাতাসী বর্মন(৭০)। ঘটনায় তার নাতি শঙ্কর বর্মনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। মৃতার ছোট ছেলে শিলিগুড়ির বাগডোগরা থানায় এসআই পদে কর্মরত। রাত তিনটে নাগাদ মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানায় আসেন মৃতার পুলিশকর্মী ছেলে মোহিনী বর্মন। তবে তার প্রতিবেশী এমনকি মৃতার পুলিশ ছেলেও এই খুনের কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেননি। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার গভীর রাতে শোওয়ার ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধার মৃতদেহ দেখেন তাঁর বাড়িত লোকেরা। রায়গঞ্জ থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে আসে৷। বৃদ্ধার মাথার ডানদিকে আঘাতের চিহ্ন মেলায় তাকে ভারি কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃতার নাতি, বছর চব্বিশের শঙ্করকে আটক করেছে পুলিশ। মৃত মহিলার সকলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক ছিল বলে জানা গিয়েছে।
বাড়িতে কারোর সঙ্গে তাঁর ঝগড়া বিবাদও হতে দেখেননি বলেই জানিয়েছেন মৃতার প্রতিবেশী পেশায় শিক্ষক সদানন্দ রায়। পাশাপাশি এদিন রাত প্রায় তিনটে নাগাদ রায়গঞ্জ থানায় আসেন মৃতার ছেলে মোহিনী বর্মন। তার বক্তব্য, মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েই রায়গঞ্জে এসেছি। কী কারণে এই ঘটনা তা জানা নেই। যদিও ভাইপো শঙ্করের আটকের ঘটনার বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি মোহিনী বাবু। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।